যেকোনো ওয়েবসাইট ক্লোন করুন। AI-এর সাহায্যে এটি পরিবর্তন করুন।

যেকোনো ওয়েবসাইটকে একটি ফুল্লি এডিটেবল সাইট হিসেবে রিক্রিয়েট করতে একটি URL পেস্ট করুন, তারপর এটিকে AI দিয়ে কাস্টমাইজ করুন। এর জন্য কোনো কোডিং বা এজেন্সির প্রয়োজন নেই।

এমন একটি ওয়েবসাইট ক্লোনার যা আপনাকে ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ দেয়

আপনার পছন্দের স্ট্রাকচারটি রাখুন, তারপর যে অংশগুলো পছন্দ নয় সেগুলো পরিবর্তন করুন।
এমন একটি ওয়েবসাইট ক্লোনার যা আপনাকে ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ দেয়

URL থেকে জেনারেট করুন

যেকোনো এক্সিস্টিং ওয়েবসাইটের একটি লিংক পেস্ট করুন, আর AI এটির কন্টেন্ট, স্ট্রাকচার এবং ডিজাইনগুলোকে এমন একটি এডিটেবল সাইট হিসেবে রিক্রিয়েট করে, যার ওপর ভিত্তি করে আপনি নতুন কিছু তৈরি করতে পারবেন।
কন্টেন্ট রিরাইট করুন, সেকশন অ্যাড করুন, অথবা AI চ্যাট বা ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ এডিটিংয়ের সাহায্যে লুক পরিবর্তন করুন। যা কাজ করে তা রাখুন এবং যা কাজ করে না তা আপডেট করুন।
কোনো ডেভেলপার বা কোড লেখার ওপর নির্ভর না করেই আপনার রিক্রিয়েট করা ওয়েবসাইটটি এক জায়গাতেই এডিট, হোস্ট এবং পাবলিশ করুন।

কাজ যেটাই হোক না কেন, AI-এর সাহায্যে সেখানে দ্রুত পৌঁছে যান

মাইগ্রেশন, রিডিজাইন, ক্লায়েন্ট প্রজেক্ট এবং আরও অনেক কিছু। বারবার একই সেটআপ করার ঝামেলা এড়িয়ে সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ কাজে লেগে পড়ুন।
কাজ যেটাই হোক না কেন, AI-এর সাহায্যে সেখানে দ্রুত পৌঁছে যান

নতুন করে শুরু না করেই মাইগ্রেট করুন

প্রতিটি পেজ ম্যানুয়ালি রিবিল্ড না করেই আপনার সাইটটি WordPress, অন্য কোনো ওয়েবসাইট বিল্ডার, অথবা অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে মুভ করুন।
বুকিং এবং ক্লায়েন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে শুরু করে ইকমার্স পর্যন্ত—যেসব ফিচার এটি আগে কখনো সাপোর্ট করত না সেগুলো দিয়ে একটি পুরোনো সাইটকে আপগ্রেড করুন।
একটি এক্সিস্টিং সাইট থেকে শুরু করুন, এরপর নতুন কোনো ব্র্যান্ড, অফার বা অডিয়েন্সের সাথে মানানসই করতে এর কন্টেন্ট, স্ট্রাকচার এবং ফিচারগুলো পরিবর্তন করুন।
স্টার্টিং পয়েন্ট হিসেবে কোনো ক্লায়েন্টের এক্সিস্টিং সাইটটি ইমপোর্ট করুন, এরপর ম্যানুয়ালি রিবিল্ড না করেই স্পেক অনুযায়ী এটিকে কাস্টমাইজ করুন।
আপনার সাইটটি রিক্রিয়েট করুন, এরপর নতুন ভাষা এবং মার্কেটের সাথে কন্টেন্টটিকে মানিয়ে নিতে AI ব্যবহার করুন।
লাইভ হওয়ার আগে নতুন লেআউট, ব্র্যান্ডিং বা মেসেজিং টেস্ট করার জন্য একটি এক্সিস্টিং সাইটকে এডিটেবল স্যান্ডবক্সে পরিণত করুন।

AI-এর সাহায্যে কীভাবে একটি ওয়েবসাইট ক্লোন করবেন

01

URL-টি পেস্ট করুন

কোনো ওয়েবসাইটের লিংক টাইপ করুন এবং AI-কে এটি ক্লোন করতে বলুন। AI এর কন্টেন্ট, লেআউট এবং স্ট্রাকচার অ্যানালাইজ করে এটিকে একটি এডিটেবল ওয়েবসাইট হিসেবে রিক্রিয়েট করে।
02

রিভিউ করে কাস্টমাইজ করুন

আপনার রিক্রিয়েট করা ওয়েবসাইটটি এডিট করার জন্য রেডি। সবকিছু ঠিকঠাক মনে না হওয়া পর্যন্ত কন্টেন্ট রিরাইট করতে, ডিজাইন আপডেট করতে, বা নতুন সেকশন অ্যাড করতে AI-এর সাথে চ্যাট করুন।
03

সিঙ্গেল ক্লিকেই পাবলিশ করুন

আপনার ওয়েবসাইটের কাজ আপনার পছন্দমতো হয়ে গেলে, এক ক্লিকেই এটি পাবলিশ করে দিন। হোস্টিং, আপনার ডোমেইন এবং লাইভ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

Hostinger AI বিল্ডার দিয়ে আপনি আরও কী কী তৈরি করতে পারবেন তা দেখে নিন

AI ওয়েবসাইট ক্লোনার বিষয়ক সাধারণ জিজ্ঞাসা

ওয়েবসাইট ক্লোনার হলো Hostinger AI Builder-এর এমন একটি ফিচার, যা একটি URL থেকে একটি এক্সিস্টিং ওয়েবসাইট রিক্রিয়েট করে, সেই সাথে এর স্ট্রাকচার, স্টাইল এবং কন্টেন্টগুলোকে একটি এডিটেবল, ইন্টারঅ্যাক্টিভ প্রজেক্ট হিসেবে ক্যাপচার করে। শুধু একটি লিংক পেস্ট করুন, আর AI এমন একটি স্টার্টিং পয়েন্ট তৈরি করে দেবে যা আপনি স্বাধীনভাবে কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

যাদের মাথায় আগে থেকেই কোনো ওয়েবসাইট আছে তাদের জন্যই ওয়েবসাইট ক্লোনিং তৈরি করা হয়েছে, সেটি তাদের নিজেদের, কোনো ক্লায়েন্টের, অথবা তারা যেখান থেকে মাইগ্রেট করতে চাইছেন সেখানকার হতে পারে। যারা কোনো এজেন্সি হায়ার না করেই আউটডেটেড সাইটকে রিফ্রেশ করতে চান এমন ছোট ব্যবসা মালিকদের জন্য, আরও দ্রুত ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট রিবিল্ড করতে চান এমন ফ্রিল্যান্সার ও এজেন্সিগুলোর জন্য এবং অন্য কোনো ওয়েবসাইট বিল্ডার, WordPress বা একই রকম প্ল্যাটফর্ম থেকে মুভ করতে চান এমন সবার জন্যই এটি বিশেষ উপকারী।

আপনি যে ওয়েবসাইটের URL প্রোভাইড করবেন, তার একটি নতুন ভার্সন আপনি জেনারেট করতে পারবেন, যদি আপনার কাছে সেটির মালিকানা থাকে বা এটি ব্যবহার করার অনুমতি থাকে। AI বিল্ডার সাইটটির ভিজিবল কন্টেন্ট এবং স্ট্রাকচার অ্যানালাইজ করে আপনার ভার্সন তৈরি করে, তবে অরিজিনাল সাইটের কমপ্লেক্সিটির ওপর ভিত্তি করে রেজাল্ট ভিন্ন হতে পারে।

হ্যাঁ, এডিটিং করাই তো মূল বিষয়। আপনার ওয়েবসাইটটি জেনারেট হওয়ার পর, আপনি চাইলে সরাসরি এলিমেন্টগুলো সিলেক্ট করে অথবা AI চ্যাটে পরিবর্তনগুলো বর্ণনা করে এর কপি, কালার, ইমেজ, লেআউট এবং কম্পোনেন্টগুলো পরিবর্তন করতে পারবেন।

হ্যাঁ। আপনি যদি আরও বেশি কন্ট্রোল চান, তবে ফুল কোড এডিটিংয়ের সুবিধা উপলব্ধ আছে, তাই আপনি ভিজ্যুয়াল এডিটরের বাইরেও কাস্টমাইজ করতে পারবেন এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী প্রজেক্টটিকে স্কেল করতে পারবেন।

জেনারেট হওয়া রেজাল্টটি হলো একটি কাছাকাছি স্টার্টিং পয়েন্ট, কোনো পিক্সেল-পারফেক্ট ডুপ্লিকেট নয়। কিছু লেআউট, অ্যানিমেশন অথবা হাইলি কাস্টম এলিমেন্ট হয়তো হুবহু ক্যারি-ওভার নাও হতে পারে। সেখান থেকে আপনি AI প্রম্পট বা ম্যানুয়াল ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ এডিটের সাহায্যে লেআউট থেকে শুরু করে কন্টেন্ট পর্যন্ত যেকোনো কিছুই অ্যাডজাস্ট করে নিতে পারবেন।

কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। শুধু একটি URL পেস্ট করুন, তারপর আপনি কী কী পরিবর্তন চান তা সাধারণ ভাষায় বর্ণনা করুন। বাকিটা AI বিল্ডাড় নিজেই সামলে নেয়, এর জন্য কোনো ডিজাইন বা টেকনিক্যাল স্কিলের প্রয়োজন নেই।

আপনি ফ্রিতে শুরু করতে পারেন, কোনো ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার প্রথম রিক্রিয়েট করা ওয়েবসাইটটি জেনারেট ও এডিট করার জন্য AI ক্রেডিট পাবেন। আপনি যখন এটি পাবলিশ করার জন্য রেডি হবেন, তখন একটি পেইড প্ল্যান বেছে নিন, যেখানে হোস্টিং এবং ডোমেইন ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

আপনার কাছে থাকা ওয়েবসাইটটি দিয়েই শুরু করুন। আরও দ্রুত পরবর্তী ভার্সনে পৌঁছে যান।

ফ্রিতে শুরু করুন

কোনো ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন নেই